মুসলিম ধর্মাবলম্বীর বিবাহ

মুসলিম ধর্মের নিয়মানুসারে বর কনেকে নির্দিষ্ট দেনমোহর নির্ধারণ করে বিয়ের প্রস্তাব প্রদান করেন। কনে এতে সম্মতি থাকলে  একটি  বৈবাহিক চুক্তি সম্পন্ন হয়। এই চুক্তিনামায় অবশ্যই দুই জন মুসলিম সাক্ষী উপস্থিথ থাকতে হবে। এভাবেই মুসলিম ধর্মের বিবাহ সম্পন্ন হয়।

হিন্দু ধর্মাবলম্বীর বিবাহ

হিন্দু বিয়ের সময় বর ও কনে ঠাকুরের উপস্থিতিতে একটি অগ্নিকুণ্ডলী কে কেন্দ্র করে সাতটি পাক দেয় এবং প্রতিটি পাকে তারা বিবাহের বিভিন্ন অঙ্গিকার সম্পন্ন করে।

এরপর সিঁদুর  ও মঙ্গলসূত্র পরিয়ে বিবাহ সম্পন্ন করা হয়।

হিন্দু ধর্মের  বিবাহ সাধারণত পঞ্জিকা অনুসারে  শুভলগ্নে অনুষ্ঠিত হয়।

খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীর বিবাহ

প্রথমে গির্জায়  প্রবেশ পথে যাজক বর-কনেকে বরণ করে নেয়। তারপর তারা মুখোমুখি দারিয়ে ফাদার এর নির্দেশ  অনুসারে  একে অন্যের সাথে বিবাহের চুক্তিতে সম্মতি প্রকাশ করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়।

তারপর বর-কনে দুজনের মধ্যে আংটি বদল করা হয়।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীর বিবাহ
বৌদ্ধ মন্দিরে বর ও কনে উভয়ের উপস্থিতিতে মোমবাতি ও ফুল দিয়ে সাজিয়ে একে অন্যের বিয়ের চুক্তিতে সম্মতি প্রকাশ করে তিশারানা, পঙ্কাশিলা এবং বন্দনা পাঠ করে বিবাহ কার্যক্রম সম্পন্ন করেন।

অন্যান্য ধর্মাবলম্বীর বিবাহ

অন্যান্য ধর্মের বিবাহের আনুষ্ঠানিকতা বিভিন্ন এলাকা, গোত্র ও ধর্ম বিশেষে  যার যার নিয়ম অনুসারে  অনুষ্ঠিত হয়ে  থাকে।